শি জিনপিং ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে মিলিত হবেন
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই বৈঠকে সীমান্ত বিরোধ, বাণিজ্য এবং সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনা হবে। শি জিনপিংয়ের ভারত সফর প্রায় সাত বছর পর হচ্ছে এবং এটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
AI-generated · Verify with full article
চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এটি দুই নেতার মধ্যে ধারাবাহিক তৃতীয় বছরের বৈঠক হবে। শি জিনপিং ব্রিক্সের অষ্টাদশ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ১২ সেপ্টেম্বর ভারতে পৌঁছেছেন।
শি জিনপিংয়ের ভারত সফর এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
শি জিনপিংয়ের এই ভারত সফর প্রায় সাত বছর পর হচ্ছে। এর আগে ২০১৬ সালে তিনি গোয়ায় ব্রিক্স সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এবারও তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন, যেখানে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ, বাণিজ্য এবং সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হবে। চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফিহং জানান যে বেইজিং এবং নয়াদিল্লি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
পরিচিত কর্মকর্তাদের মতে, এই সফর পূর্ব লাদাখে সামরিক সংঘর্ষের কারণে উত্তেজনাপূর্ণ হওয়া ভারত-চীন সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে যে দুই দেশকে আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়ানো উচিত এবং মতবিরোধগুলি সঠিকভাবে মোকাবেলা করা উচিত।
তিব্বতের বার্তা এবং শান্তির আবেদন
তিব্বতি নেতা ত্সেরিং বলেছেন যে তিব্বত সবসময় ভারত এবং চীনসহ অনেক দেশের মধ্যে উন্নত সম্পর্কের সমর্থন করেছে। তিনি চীনকে পরামর্শ দিয়েছেন যে যদি তারা বিশ্বকে একটি ভালো জায়গা বানাতে চায় তবে শান্তির শুরু তাদের নিজ দেশ থেকে করা উচিত।
তিনি আলোচনা মাধ্যমে সমাধান বের করার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বলেছেন যে ভারত ও চীনকে তাদের মতবিরোধ সঠিকভাবে মোকাবেলা করা উচিত। তিব্বতি নেতা ব্রিক্স সম্মেলনে চীনের বাড়তে থাকা অংশগ্রহণের ওপর নজর রাখার কথাও বলেছেন। তিনি জানান যে চীনা সরকারের সঙ্গে কথা বলার সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বিশ্বাসের অভাব।
চীন-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যত
দুই দেশের সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত। আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হবে যাতে তারা প্রতিবেশী ও অংশীদার হতে পারে এবং একে অপরের সাফল্যে সাহায্য করে।
শি জিনপিং এবং নরেন্দ্র মোদীর এই সাক্ষাৎ দুই দেশের সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্রিক্স সম্মেলনের সময় ভারতে এবং চীনের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ওপরও সকলের নজর থাকবে।
দুই দেশের নেতাদের নির্দেশনায় চীন ভারতকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চায়
শু ফিহং, চীনা রাষ্ট্রদূত
যদি চীন সত্যিই এই পৃথিবীকে বাসযোগ্য একটি ভালো জায়গা বানাতে চায় তবে প্রথমে তাদের নিজেদের দেশ থেকে শুরু করা উচিত
পেনপা ত্সেরিং, তিব্বতি নেতা
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- ভারত এবং চীনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কোন বিষয়গুলি আলোচনা করা হবে?
- বৈঠকে সীমান্ত বিরোধ, বাণিজ্য এবং সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
- এই সফরের প্রেক্ষাপটে ভারত-চীন সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন?
- সফরটি পূর্ব লাদাখে সামরিক সংঘর্ষের পর উষ্ণ হওয়া সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
- তিব্বতি নেতারা ভারত-চীন সম্পর্ক নিয়ে কী পরামর্শ দিয়েছেন?
- তিনি আলোচনা মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বিশ্বাসের অভাব মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- ব্রিক্স সম্মেলনে ভারত এবং চীনের ভূমিকা কী ধরনের হতে পারে?
- ব্রিক্স সম্মেলনের সময় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সম্পর্ক উন্নতির দিকে এগিয়ে নেবে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত








Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.