ফতেহাবাদের কস্তূরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে ১৮টি পদ শূন্য
ফতেহাবাদের পাঁচটি কস্তূরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে ১৮টি পদ শূন্য রয়েছে, যার মধ্যে তিনটি ইঞ্চার্জ পদও রয়েছে। এর ফলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত ব্যবস্থা প্রভাবিত হচ্ছে। শিক্ষা বিভাগ শূন্য পদ পূরণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের সুযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
জেলার নাহলা, কুমহারিয়া, খাই, জামালপুর শেখাঁ এবং কিরধানে অবস্থিত কস্তূরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে মোট ১৮টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ইংরেজির তিনটি, হিন্দির একটি, গণিতের চারটি, রাজনীতি বিজ্ঞানের দুটি, অর্থনীতির একটি, ইতিহাসের দুটি এবং সংস্কৃতের দুটি পিজিটি পদ রয়েছে।
তিনটি বিদ্যালয় নাহলা, কুমহারিয়া এবং কিরধানের ইঞ্চার্জ পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রভাবিত হচ্ছে। বিভাগের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হল এই পদগুলিতে দায়িত্বভার গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা।
শিক্ষাবর্ষ ২০২৬-২৭ এর জন্য শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগ চুক্তির ভিত্তিতে হবে এবং নির্বাচিত কর্মচারীদের সেবা ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত অথবা নিয়মিত ব্যবস্থা শুরু হওয়া পর্যন্ত থাকবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদেরও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। সর্বোচ্চ ৬৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন, যার মধ্যে মহিলা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আবেদন ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে এবং ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।
ইঞ্চার্জদের মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা এবং পিজিটি শিক্ষকদের ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের সেবা পাওয়ার ফলে শূন্য পদগুলি অস্থায়ীভাবে পূরণ হবে এবং বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
কস্তূরবা গান্ধী বালিকা বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের আবাসিক সুবিধাসহ মানসম্মত শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে ইঞ্চার্জ পদ শূন্য থাকায় শিক্ষাদান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রভাবিত হচ্ছে। বিভাগ এই পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে একদিনের ডেন্টাল হেলথ ও অরাল স্ক্রিনিং ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এই শিবিরে বিদ্যালয়ের মোট ৪০০ ছাত্রীদের দাঁত ও মুখের পরীক্ষা করা হয়েছে।
ছাত্রীদের সুস্থ মুখ ও দাঁতের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে এবং সঠিক ব্রাশ করার কৌশলের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা দিনে দুইবার ব্রাশ করার এবং নিয়মিত দন্ত চিকিৎসকের কাছে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
5 free articles left today
0 of 5 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত




Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.