নৈনিতাল-এ তিনটি পশু লাম্পি ভাইরাসে সংক্রমিত পাওয়া গেছে
নৈনিতাল। নৈনিতাল জেলার লাম্পি স্কিন ডিজিজ ভাইরাসের নিশ্চিত হওয়ার পর পশুপালন বিভাগ সংক্রমণ রোধের জন্য ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে। জেলায় এখন পর্যন্ত তিনটি পশু সংক্রমিত পাওয়া গেছে, যার মধ্যে দুইটি রাজপুরা গৌশালা এবং একটি গোবিন্দপুর গড়ওয়াল এলাকার। বিভাগ ১৬৩টি দল গঠন করে ১,২২,৩০১টি পশুর টিকাদান করেছে।
পশুপালন বিভাগ জানিয়েছে যে গ্রামীণ এলাকায় লাম্পি ভাইরাস সংক্রমণের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিভাগ বলেছে যে যদি কোনো পশুর শরীরে গাঁট, জ্বর বা চোখ-নাক থেকে পানি পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে তাকে দ্রুত সুস্থ পশু থেকে আলাদা করে দিতে হবে। সংক্রমিত পশুকে অন্য পশুর সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা খুবই জরুরি।
জেলায় ৪২টি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল, যার মধ্যে ১২টির রিপোর্ট এসেছে। বিভাগ পরিস্থিতির গুরুতরতা বিবেচনা করে টিকাদানের কাজ ত্বরান্বিত করেছে। দলগুলি গ্রাম-গ্রাম গিয়ে পশুর টিকাদান করছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করছে। পাশাপাশি পশুপালকদের রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং সতর্কতার বিষয়ে তথ্য দেওয়া হচ্ছে।
সংক্রমণ ছড়ানো রোধে বাইরের রাজ্য এবং অন্যান্য স্থান থেকে মহিষ ও গরুর মতো পশু পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রশাসনের মতে পশুর চলাচলের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। পশুপালন বিভাগ পশুপালকদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আবেদন করেছে।
পশু খামারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি মশা-মাছি নিয়ন্ত্রণের জন্য কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। বিভাগ জানিয়েছে যে এখন পর্যন্ত ১,২২,৩০১টি পশুর টিকাদান করা হয়েছে।
5 free articles left today
0 of 5 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত



Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.