কেন্দ্র সরকার লাদাখকে আর্টিকেল ৩৭১ এর অধীনে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে
কেন্দ্র সরকার লাদাখকে আঞ্চলিক সংবিধান অনুচ্ছেদ ৩৭১(কে) এর অধীনে বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদানের প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত করছে। এই পদক্ষেপে জমি, সংস্কৃতি, ভাষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের অধিকার প্রদানের পাশাপাশি একটি নির্বাচিত সংস্থা গঠন করা হবে, তবে লাদাখের রাজ্য বা বিধানসভা মর্যাদা দেওয়া হবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদে প্রস্তাব পাসের পর নেওয়া হবে।
AI-generated · Verify with full article
কেন্দ্র সরকার লাদাখকে আর্টিকেল ৩৭১ এর অধীনে সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়ার প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ ২০১৯ সালে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হওয়ার পর থেকে উঠা স্থানীয় অধিকারের প্রশ্নগুলোর সমাধান হতে পারে।
২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন অনুযায়ী লাদাখকে বিধানসভা ছাড়া কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠন করা হয়। তখন থেকে এখানকার মানুষের জমি, চাকরি, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং প্রশাসনে অধিকারের দাবি চলছে।
গৃহ মন্ত্রণালয় এবং লাদাখের প্রতিনিধিদের মধ্যে সাম্প্রতিক বৈঠকে কেন্দ্র সরকার সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭১(কে) যোগ করার প্রস্তাব রেখেছে। এর অধীনে লাদাখকে জমি, সংস্কৃতি, ভাষা, বন ও পরিবেশের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলিতে বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং আইন প্রণয়নের অধিকার দেওয়া যেতে পারে।
যদিও এই প্রস্তাব এখনও চূড়ান্ত নয়। নির্বাচিত সংস্থার অধিকার এবং উপরাজ্যপাল ও কেন্দ্র সরকারের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন নিয়ে আলোচনা চলছে। লাদাখের নেতারা বলছেন স্থানীয় মানুষদের উন্নয়ন ও সম্পদের উপর বেশি নিয়ন্ত্রণ পাওয়া উচিত।
অনুচ্ছেদ ৩৭১(কে) প্রয়োগের পর এটি পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা বা বিধানসভা সহ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হবে না। এর অধিকার সীমা এই বিধানের চূড়ান্ত ভাষার ওপর নির্ভর করবে। উদাহরণস্বরূপ নাগাল্যান্ড ও মিজোরামকে অনুচ্ছেদ ৩৭১ এর অধীনে বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সরকার লাদাখের জন্য একটি নির্বাচিত সংস্থা গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে, যা সুই-জেনেরিস মডেলের ওপর ভিত্তি করে হবে। এই মডেল প্রশাসনের একটি অনন্য আইনি ব্যবস্থা, যা আঞ্চলিক চাহিদা অনুযায়ী বিশেষ অধিকার প্রদান করে।
বর্তমানে লাদাখের প্রশাসন উপরাজ্যপাল, তার উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব এবং সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবি দীর্ঘদিন থেকে রয়েছে।
কেন্দ্র সরকারের সচিব আশিষ কুন্দ্রা বলেছেন, "সংসদ আর্টিকেল ৩৭১-এ সংশোধন করে লাদাখকে যথেষ্ট সাংবিধানিক সুরক্ষা দেবে। আমরা একটি অনন্য মডেলের ওপর কাজ করছি।" তিনি বলেন এটি বিধানসভা সহ কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল বা রাজ্য হবে না।
এই প্রস্তাব প্রয়োগের পরও নির্বাচিত সংস্থা দ্বারা প্রণীত আইনের ওপর উপরাজ্যপাল বা কেন্দ্র সরকারের ভেটো অধিকার থাকতে পারে। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নির্ধারণ বাকি।
এই সাংবিধানিক সুরক্ষা প্রস্তাব লাদাখকে দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্দোলন ও দাবির সম্ভাব্য সমাধান দিতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদে প্রস্তাব পাসের পরই স্পষ্ট হবে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- লাদাখের মানুষের দাবি কী কারণে বাড়ছে?
- লাদাখের মানুষ জমি, চাকরি ও প্রাকৃতিক সম্পদে অধিকারের দাবি করছে।
- সুই-জেনেরিস মডেল কী সুবিধা দেবে?
- এই মডেল আঞ্চলিক চাহিদার ভিত্তিতে বিশেষ প্রশাসনিক অধিকার প্রদান করে।
- আর্টিকেল ৩৭১(কে) প্রয়োগের পর লাদাখের প্রশাসনিক মান কেমন হবে?
- এটি বিধানসভা না থাকলেও বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা পাবে।
- কেন পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাকি আছে?
- কারণ লাদাখ একটি সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তা বিষয়ে কেন্দ্র গুরুত্ব দেয়।
- কাফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ভেটো থাকবে কেন?
- নির্বাচিত সংস্থার আইনে কেন্দ্রীয় সরকারের নিশ্চিত অনুমোদন প্রয়োজন।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত










Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.