উত্তর ভারতে ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন প্রভাবিত, ১২ মৃত্যু
এক নজরে
- উত্তর ভারতে ভারী বৃষ্টি ও বন্যার কারণে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জনজীবন প্রভাবিত হয়েছে।
- উত্তরাখণ্ডে ১৭২টি রাস্তা বন্ধ হয়েছে এবং নৈনিতাল, বাগেশ্বর ও দেরাদুনে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
- মধ্যপ্রদেশের চিত্রকূটে মন্দাকিনী নদীর পানি বিপদের স্তর থেকে প্রায় দুই মিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে, যা ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে।
- বিহারে গঙ্গা, পুনপুনসহ অনেক নদী বিপদের স্তর ছাড়িয়ে বন্যার সম্ভাবনা বেড়েছে, এবং ভাগলপুরে প্রায় ১০০ বছরের পুরনো দুর্গা মন্দির নদীতে বিলীন হয়েছে।
- আবহাওয়া দফতর ৩ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর উত্তর ও মধ্য ভারতের বহু রাজ্যে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- উত্তরাখণ্ডে বন্যার কারণে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে?
- নৈনী হ্রদের জলস্তর ৮৮ ফুট ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে ১৭২টি রাস্তা বন্ধ এবং নৈনিতাল, বাগেশ্বর ও দেরাদুনে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি হয়েছে।
- মধ্যপ্রদেশের কোন এলাকায় বন্যার বেশি ক্ষতি হয়েছে?
- চিত্রকূটে মন্দাকিনী নদীর পানি বিপদের স্তর থেকে প্রায় দুই মিটার উপরে প্রবাহিত হওয়ার ফলে রামঘাট এলাকায় ৪০০ দোকান ও ২০-২৫টি হোটেল পানিতে ডুবে গেছে।
- বিহারে বন্যার কারণে কোথায় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে?
- ভাগলপুরে গঙ্গার কাটার কারণে প্রায় ১০০ বছর পুরনো দুর্গা মন্দির নদীতে বিলীন হয়েছে এবং পাটনার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
- আবহাওয়া দফতর কতদিনের জন্য বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছে?
- ৩ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
- উত্তর প্রদেশে বন্যার ফলে কী কী ক্ষতি হয়েছে?
- উনাওয়ে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ৭ ফুট গভীর গর্ত হয়েছে, বালিয়ায় ২০ হাজার মানুষ বন্যায় প্রভাবিত এবং সীতাপুরে দেওয়াল ধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
উত্তর ভারতের অনেক রাজ্যে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় জনজীবন প্রভাবিত হয়েছে। আবহাওয়া দফতর পরবর্তী কয়েকদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার সতর্কতা দিয়েছে।
উত্তরাখণ্ডে নৈনী হ্রদের জলস্তর ৮৮ ফুট ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে প্রশাসন অতিরিক্ত পানি বের করার জন্য চ্যানেল খুলতে হয়েছে। রাজ্যে ১৭২টি রাস্তা বন্ধ রয়েছে এবং নৈনিতাল, বাগেশ্বর ও দেরাদুনে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাঁচটি জেলায় স্কুল ও আঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। হালদ্বানির চিত্রশিলা ঘাটে গৌলা নদীর প্রবল স্রোতে শেষকৃত্যের জন্য আনা মৃতদেহ ও জ্বলন্ত চিতা ভেসে গেছে। কুমাউ মণ্ডলে ১৪১টি রাস্তা ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর ৩ সেপ্টেম্বর দেরাদুন, টিহরি, উত্তরকাশী, চমোলি, নৈনিতাল, চম্পাওয়াত, উদম সিং নগর, পিথোরাগড় ও বাগেশ্বরে বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জানিয়েছে। আলমোড়া জেলা প্রশাসন সমস্ত সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও আঙ্গনবাড়ি কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের চিত্রকূটে মন্দাকিনী নদী বিপদের স্তর থেকে প্রায় দুই মিটার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। রামঘাট এলাকায় প্রায় ৪০০ দোকান ও ২০-২৫টি হোটেল পানিতে ডুবে গেছে, যখন ৩৬টি গ্রাম সতর্কতায় রাখা হয়েছে। পূর্ব মধ্যপ্রদেশের জবলপুর, রীওয়া, শাহদোল ও সাগর বিভাগের ভারী বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশে তৈরি নিম্নচাপের ক্ষেত্র আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও শক্তিশালী হয়ে দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশ ও উত্তর মধ্যপ্রদেশের দিকে এগোতে পারে।
বিহারে গঙ্গা, পুনপুনসহ অনেক প্রধান নদী বিপদের স্তর ছাড়িয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে বন্যার আশঙ্কা বেড়েছে। রাজধানী পাটনার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার অবস্থা রয়েছে। ভাগলপুরে গঙ্গার কাটার কারণে প্রায় ১০০ বছর পুরনো দুর্গা মন্দির নদীতে বিলীন হয়েছে। রোहतাস জেলার মানঝর কুন্ডে প্রবল স্রোতের মধ্যে আটকে থাকা দুই যুবককে দুই ঘণ্টার উদ্ধার অভিযান শেষে নিরাপদে বের করা হয়েছে।
উত্তর প্রদেশে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। উনাওয়ে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের প্রায় ৭ ফুট গভীর গর্ত হয়েছে। বালিয়ায় প্রায় ২০ হাজার মানুষ বন্যায় প্রভাবিত হয়েছে। সীতাপুরে ভারী বৃষ্টির সময় দেওয়াল ধসে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, যখন গাজীপুরে গঙ্গায় স্নান করার সময় দুই নাবালিকা বয়ে গেছে।
আবহাওয়া দফতর ৩ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়, পূর্ব রাজস্থান, বিহার, উত্তর প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু-কাশ্মীর, সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য বজ্রপাতসহ ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে।
বিহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ পাটনার গান্ধী ঘাট ও হাতীদহে গঙ্গার জলস্তর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বন্যার স্তর ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে। বেগুসরায়ের শামহো-সূর্যগড়া সড়কে পানি ঢুকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। খগড়িয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ভাগলপুরের নবগছিয়া উপমণ্ডলের রাঘপুর এলাকায় গঙ্গা উফিয়ে উঠেছে।
আবহাওয়া দফতর পশ্চিম চম্পারণ, পূর্ব চম্পারণ, সিভান, সারণ ও গোপালগঞ্জে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা জানিয়েছে। বিহারে বন্যার ঝুঁকি নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জনগণকে নদী, ঘাট ও বাঁধ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। নালন্দা, রোहतাস, খগড়িয়া সহ পাঁচ জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। পাটনা সহ অনেক জেলায় কালো মেঘ জমে ছিল, তবে দিনের বেলায় রোদ উঠেছে। ক্যমুর জেলা ৩৬.১ ডিগ্রি তাপমাত্রা নিয়ে সবচেয়ে গরম ছিল। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী কয়েকদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত










Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.