ওয়ানডেতে দল হেরে গেলেও ঝলমল করলেন এই পাঁচ ব্যাটসম্যান
এক নজরে
- ওয়ানডে ইতিহাসে কয়েকজন ব্যাটসম্যান অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন কিন্তু তাদের দল হেরে গিয়েছে।
- চার্লস কোভেন্ট্রি ২০০৯ সালে ১৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন যা তখন সর্বোচ্চ ওয়ানডে স্কোরের সমান ছিল।
- ম্যাথিউ হেডেন ২০০৭ সালে ১৮১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন, কিন্তু নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জিতেছিল।
- জর্জ মুন্সি ২০২৫ সালে ১৯১ রান করেও স্কটল্যান্ডের জয় হয়নি।
- ফখর জামানের ১৯৩ রানের ইনিংসের পরও পাকিস্তান দল হেরে গিয়েছিল।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- কোন ব্যাটসম্যানটি ২০০৯ সালে ১৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন?
- ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট জিম্বাবুয়ের চার্লস কোভেন্ট্রি ১৯৪ রান করেছিলেন।
- ম্যাথিউ হেডেন কত রান করেছিলেন এবং ম্যাচের ফলাফল কী ছিল?
- ম্যাথিউ হেডেন ১৮১ রান করেছিলেন ২০০৭ সালে, কিন্তু নিউজিল্যান্ড ম্যাচটি জিতেছিল।
- ফখর জামানের ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ দিক কী ছিল?
- ফখর জামান ১৯৩ রান করে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু রান আউট হয়ে হেরে গিয়েছিলেন।
- এভিন লুইসের ম্যাচে কী ঘটেছিল?
- এভিন লুইস ১৭৬ রান অপরাজিত খেলেছিলেন, চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে দিতে হয়েছিল এবং ইংল্যান্ড শর্তসাপেক্ষে ম্যাচ জিতেছিল।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে অনেক ব্যাটসম্যান অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন, তবুও তাদের দল হেরে গেছে। এই পাঁচটি ইনিংস ব্যক্তিগত রেকর্ডের পাশাপাশি ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দাগ কাটে। এই ব্যাটসম্যানরা একাই বড় স্কোর করেছেন, কিন্তু জয় দল থেকে দূরে ছিল।
১৬ আগস্ট ২০০৯-এ বুলাওয়ায়ো মাঠে জিম্বাবুয়ের চার্লস কোভেন্ট্রি ১৫৬ বল খেলে ১৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। তিনি ১৬টি চার এবং ৭টি ছক্কা মেরেছিলেন, যা তখন ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের সমান ছিল। তবুও, তাদের দল হেরে গিয়েছিল।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৭-এ হেমিল্টনে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথিউ হেডেন ১৮১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন, যেখানে ১১টি চার এবং ১০টি ছক্কা ছিল। তিনি দলকে একটি বিশাল স্কোরে পৌঁছে দিয়েছিলেন, কিন্তু নিউজিল্যান্ড শেষ ওভারগুলোতে লক্ষ্য অর্জন করেছিল।
১২ জুন ২০২৫-এ ডান্ডিতে স্কটল্যান্ডের জর্জ মুন্সি ১৯১ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেছিলেন। তার কারণে স্কটল্যান্ড শক্তিশালী স্কোর করেছিল, কিন্তু নেদারল্যান্ডস দলগত কাজের মাধ্যমে লক্ষ্য পূরণ করে স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭-এ লন্ডনের দ্য ওভাল মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস ১৭৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। চোটের কারণে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল, নাহলে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে পারতেন। ইংল্যান্ড ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়ম অনুযায়ী সংশোধিত লক্ষ্য অর্জন করে ম্যাচ জিতেছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ফখর জামান ১৯৩ রানের চমকপ্রদ ইনিংস খেলেছিলেন। তিনি একাই দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন এবং দল হেরে গিয়েছিল। তার এই ইনিংস ওয়ানডে ইতিহাসের মহান ইনিংসগুলোর মধ্যে রয়েছে।
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত








Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.