পাকিস্তান থেকে পাওয়া পিস্তলসহ তিন গুপ্তচর গ্রেফতার
এক নজরে
- ফিরোজপুর থেকে তিন গুপ্তচর রছপাল সিং, রোহিত এবং বরিন্দরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- পুলিশ তাদের কাছ থেকে পাকিস্তান থেকে পাঠানো ৩২ বোর পিস্তল উদ্ধার করেছে।
- অভিযুক্তরা সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সামরিক এলাকা নজরদারি করেছিল এবং তথ্য পাকিস্তানে পাঠাত।
- অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক লুধিয়ানা ছাড়াও ফিরোজপুর ও রাজস্থানেও সক্রিয় ছিল।
- পিস্তলটি অমৃতসর সীমান্ত এলাকা থেকে আনা হয়েছিল এবং তাদের মোবাইল, ব্যাংক লেনদেন ও যোগাযোগের তদন্ত চলছে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে?
- ফিরোজপুর থেকে রছপাল সিং, রোহিত এবং বরিন্দরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
- কী ধরনের অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে?
- পাকিস্তান থেকে পাঠানো ৩২ বোর পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
- গুপ্তচররা কী কাজ করছিল?
- তারা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সামরিক এলাকার ছবি ও ভিডিও পাকিস্তানে হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠাচ্ছিল।
- অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক কোথায় সীমাবদ্ধ ছিল?
- নেটওয়ার্ক লুধিয়ানা, ফিরোজপুর এবং রাজস্থান এলাকায় ছিল।
- পুলিশ এখন কী তদন্ত করছে?
- অস্ত্রের উৎস, মোবাইল ফোন, ব্যাংক লেনদেন, যোগাযোগ এবং ডিজিটাল কার্যক্রমসহ গোটা নেটওয়ার্কের তদন্ত চলছে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
ফিরোজপুর রোডে জুতোর দোকানের আড়ালে সামরিক এলাকা নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে পাকিস্তান থেকে পাঠানো ৩২ বোর পিস্তল উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, রছপাল সিং, রোহিত এবং বরিন্দরকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ৩২ বোর পিস্তল পাওয়া গেছে, যা পাকিস্তান থেকে তাদের হ্যান্ডলারদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্তদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে তারা পিস্তল বিক্রি করে নিজেদের খরচ চালাবেন।
তদন্তে জানা গেছে যে অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক লুধিয়ানা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিল না। তাদের ফিরোজপুর এবং রাজস্থানেও একইভাবে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে সামরিক এলাকার কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও পাকিস্তানে বসবাসরত আইএসআই হ্যান্ডলারদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের পাঞ্জাবের বিভিন্ন স্থানে ডেকে নিয়ে অনেকবার টাকা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে তারা কী মাধ্যমে অর্থ পেয়েছিল এবং পাকিস্তানে বসবাসরত হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ কিভাবে হয়েছিল।
পুলিশ এখন অস্ত্রের উৎস এবং নেটওয়ার্কেরও তদন্ত করছে। জানা গেছে পিস্তলটি অমৃতসর বর্ডার এরিয়া থেকে আনা হয়েছিল। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন, যোগাযোগ, ব্যাংক লেনদেন এবং ডিজিটাল কার্যক্রমেরও তদন্ত চলছে।
অফিসারদের ধারণা, পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে পাকিস্তানে বসবাসরত হ্যান্ডলার এবং এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত







Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.