বিজেপি উত্তর প্রদেশে ১২ জেলার আঞ্চলিক দলের ঘোষণা করল
এক নজরে
- বিজেপি উত্তর প্রদেশে ১২ জেলার আঞ্চলিক কার্যকমিটি ঘোষণা করেছে।
- নতুন দলে ১০ আঞ্চলিক উপাধ্যক্ষ এবং ৪ মহামন্ত্রী রয়েছেন।
- কাশী, অবধ, ব্রজ, কানপুর, গোরখপুরসহ ছয় আঞ্চলিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
- নতুন দলে অভিজ্ঞতা এবং যুব নেতৃত্বের সুষমা রাখা হয়েছে।
- আঞ্চলিক কার্যকমিটি ২০২৭ সালের বিধানসভা এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য নেতৃত্ব দেবে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- বিজেপি কতটি জেলার আঞ্চলিক কার্যকমিটি ঘোষণা করেছে?
- বিজেপি উত্তর প্রদেশে ১২ জেলার আঞ্চলিক কার্যকমিটি ঘোষণা করেছে।
- নতুন আঞ্চলিক কার্যকমিটিতে কতজন মহামন্ত্রী রয়েছেন?
- নতুন দলে চারজন মহামন্ত্রী রয়েছেন।
- আঞ্চলিক কার্যকমিটির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
- এগুলি দলের নির্বাচনী প্রস্তুতিকে শক্তিশালী করতে এবং আগামী বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের নেতৃত্ব দিতে গঠন করা হয়েছে।
- গোরখপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক দলের সম্পর্কে কী জানা গেছে?
- গোরখপুর দলের ৩৯ জন পদাধিকারী রয়েছেন, যার মধ্যে চারজন মহামন্ত্রী, এবং অনেক পুরনো নেতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- এবার কোন সম্প্রদায়ের নেতা মহামন্ত্রী বা উপাধ্যক্ষ হননি?
- ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কোনো নেতা মহামন্ত্রী বা উপাধ্যক্ষ হননি পশ্চিম অঞ্চলের দলে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বিজেপি ১২ জেলার আঞ্চলিক কার্যকমিটির ঘোষণা করেছে। প্রদেশ সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরীর সুপারিশে নতুন দলে নয় আঞ্চলিক উপাধ্যক্ষ এবং চার মহামন্ত্রী রয়েছেন।
বিজেপির কাশী আঞ্চলিক সভাপতি অশোক চৌরসিয়া বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক কার্যকমিটির ঘোষণা করেন। এবার দল গতবারের তুলনায় উপাধ্যক্ষের সংখ্যা সাত থেকে বাড়িয়ে দশ করেছে, আর মহামন্ত্রীর সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে চার করা হয়েছে।
প্রদেশে কাশী, অবধ, ব্রজ, কানপুর এবং গোরখপুরসহ ছয় আঞ্চলিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিগুলিতে অনেক পুরনো ও নতুন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কানপুর অঞ্চলে রাজেশ প্যাটেল, কাশীতে কবিতা প্যাটেল, ব্রজে রাজেশ্বর প্যাটেল এবং অবধে অবধেশ কটিয়ারকে মহামন্ত্রী করা হয়েছে।
পশ্চিম অঞ্চলের দলে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কোনো নেতাকে মহামন্ত্রী বা উপাধ্যক্ষ করা হয়নি। এর পরিবর্তে সैনি সমাজের দুই নেতাকে স্থান দেওয়া হয়েছে। অবধ অঞ্চলের উপাধ্যক্ষ ছিলেন রাজীব মিশ্রাকে এবার মহামন্ত্রী করা হয়েছে।
নতুন দলে অভিজ্ঞতা এবং যুব নেতৃত্বের সুষমা রাখা হয়েছে। গোরখপুর অঞ্চলের দলে অনেক পুরনো নেতাকেও আবার সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গোরখপুর দলের ৩৯ জন পদাধিকারী রয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন মহামন্ত্রী।
বিজেপি ২৫ জুন ছয় আঞ্চলিক সভাপতির ঘোষণা করেছিল। ৪ জুলাই জাতীয় মহামন্ত্রী বি এল সন্তোষ লখনউয়ে বলেছিলেন যে আঞ্চলিক দল দ্রুত গঠন করা হবে। দুই মাস পর এই দলগুলি ঘোষণা করা হয়েছে, যা ২০২৭ সালের বিধানসভা এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের নেতৃত্ব দেবে।
প্রদেশ সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরীর সুপারিশে ঘোষিত নতুন কার্যকমিটিতে মোট ৩৮ জন পদাধিকারী রয়েছেন। এতে নয় আঞ্চলিক উপাধ্যক্ষ, চার মহামন্ত্রী এবং দশ মন্ত্রী আছেন।
নতুন দলে গোরখপুরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, আর অবধ অঞ্চলের দল সবচেয়ে ছোট। বিজেপি জাতিগত সমীকরণের পুরো খেয়াল রেখে দল গঠন করেছে।
এবার অনেক নেতাকে দীর্ঘ সময় পর সংগঠনে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মহামন্ত্রী হওয়া অশোক মোগা এবং সঞ্জীব সিক্কাও দীর্ঘ সময় পর সংগঠনে ফিরেছেন।
বিজেপির আঞ্চলিক কার্যকমিটিতে মোট ১২ জেলার প্রতিনিধি রয়েছেন, যারা দলের নির্বাচনী প্রস্তুতিকে শক্তিশালী করবে।
নতুন দলে ১০ উপাধ্যক্ষ, চার মহামন্ত্রী এবং দশ মন্ত্রী রয়েছেন, যারা সংগঠনকে আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করবে।
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত










Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.