সোমনাথ দে কে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে
কলকাতা এর আরজী কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মহিলা ডাক্তারের সঙ্গে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় পানিহাটি পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে কে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ করেছে যে দে মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভৌত প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন এবং মৃতদেহের দ্রুত শেষকৃত্য সম্পন্ন করাতে সাহায্য করেছিলেন।
বৈরকপুর পুলিশ কমিশনারেটের খড়দহ থানায় ভুক্তভোগীর পিতার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এরপর পুলিশ মামলার নতুন তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, ভুক্তভোগীর পরিবারের প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখার্জী এবং সোমনাথ দে কে ষড়যন্ত্রের তিন প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। নির্মল ঘোষকে ওড়িশা থেকে এবং সঞ্জীব মুখার্জীকে কলকাতার চিনার পার্ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
সোমনাথ দে কে বুধবার সকালে বেঙ্গালুরুতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার ভোরে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়। পুলিশ জানিয়েছে যে দে থেকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি ব্যবস্থা চলছে। অভিযোগ রয়েছে যে তিনি অপরাধের পর ভৌত প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিলেন এবং ভুক্তভোগীর মৃতদেহের দ্রুত শেষকৃত্য সম্পন্ন করাতে সাহায্য করেছিলেন।
এই ঘটনা ৯ আগস্ট ২০২৪ তারিখে আরজী কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার হলে মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ পাওয়ার ঘটনা। তদন্তে তার সঙ্গে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয় নিশ্চিত হয়েছে।
মৃত্যুবরণকারী বংশ কশ্যপের মৃতদেহ বৃহস্পতিবার সকালে তার গ্রাম ভোপায় পৌঁছেছে, যেখানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা আর্থিক সাহায্য, সরকারি চাকরি এবং বাড়ি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্ত রিজওয়ান, আফজাল, সাহিল, আলতাফ সহ এক কিশোর অপরাধীকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
5 free articles left today
0 of 5 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত




Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.