তিব্বতে 5.0 মাত্রার ভূমিকম্প, ত্রাণ কাজ চলছে
এক নজরে
- তিব্বতে 5.0 মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে, যার কেন্দ্র ভূমি থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার গভীর ছিল।
- ভূমিকম্পের পর ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ জোরদার হয়েছে এবং লাইফ-ডিটেকশন যন্ত্র ও স্নিফার কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে।
- তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সম্প্রতি গ্লেসিয়ার ধস হয়েছে, যার ফলে 1,268 এর বেশি মানুষ নিহত এবং 4,200 এর বেশি নিখোঁজ আছে।
- ভারী বৃষ্টি ও ধ্বংসস্তূপের কারণে তিব্বত অঞ্চলের রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে প্রধান রাস্তা বর্তমানে ভারী যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।
- তীব্র বৃষ্টি, ফাটল ধরা পাথর ও দ্রুত নদী প্রবাহের কারণে উদ্ধার কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- তিব্বতে ভূমিকম্পের মাত্রা কত ছিল?
- ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল 5.0, যা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে গণ্য হয়।
- তিব্বতে ভূমিকম্পের কেন্দ্র কত গভীরে ছিল?
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূমি থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার গভীরে ছিল।
- তিব্বতে আর ত্রাণ কাজ কীভাবে চলছে?
- ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে লাইফ-ডিটেকশন যন্ত্র ও স্নিফার কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে এবং রাস্তাঘাট পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে।
- তিব্বত-নেপাল সীমান্তে গ্লেসিয়ার ধসের কত লোক নিহত হয়েছেন?
- গ্লেসিয়ার ধসে 1,268 এর বেশি মানুষ মারা গেছেন এবং 4,200 এর বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
- ভূমিকম্পের পরে মানুষের কী প্রতিক্রিয়া ছিল?
- কম্পন অনুভূত হতেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মানুষ নিরাপদ স্থানের দিকে দৌড়েছে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
তিব্বতে 5.0 মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে, যার কেন্দ্র ভূমি থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার গভীর ছিল। এই ভূমিকম্পের পর ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ জোরদার হয়েছে, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষের শ্বাসের সন্ধানে বিশেষ যন্ত্রপাতি ও কুকুর দলের মোতায়েন করা হয়েছে।
নেপালে বৃষ্টিহীন বন্যায় হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং শত শত এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। এই দুর্যোগের ঠিক পরেই তিব্বতে ভূমিকম্পে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা 5.0 মাপা হয়েছে, যা মাঝারি শ্রেণীর হিসেবে গণ্য হয়। এর কেন্দ্র ভূমি থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার গভীরে ছিল।
ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হতেই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মানুষ নিরাপদ স্থানের দিকে দৌড়েছে। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দলগুলি ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষের সন্ধানে ব্যস্ত। চীনা স্টেট ব্রডকাস্টারের রিপোর্ট অনুযায়ী, লাইফ-ডিটেকশন যন্ত্র এবং স্নিফার কুকুরের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ খোঁজা হচ্ছে যাতে কোনো জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা যায়।
তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সম্প্রতি একটি বিশাল গ্লেসিয়ার ধসে গিয়েছিল, যার ফলে বরফ, পাথর, কাদা এবং পানির স্রোত বেরিয়েছিল। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত 1,268 এর বেশি মানুষ মারা গেছেন এবং 4,200 এর বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
চীনের তিব্বত অঞ্চলেও পরিস্থিতি গুরুতর। ভারী বৃষ্টি ও ধ্বংসস্তূপের কারণে রাস্তা, সেতু ও পথ ধসে গেছে। নেপালের কেরুং বর্ডার থেকে চীনকে সংযুক্ত প্রধান রাস্তা ভেঙে গিয়েছিল, যার ফলে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাইরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এখন কঠোর পরিশ্রমের পর এই রাস্তা ভারী যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
ত্রাণ কাজে নিয়োজিত কর্মীরা বিপজ্জনক পাহাড় পেরিয়ে চলেছেন। সংকীর্ণ উপত্যকায় অবিরত বৃষ্টি এবং ফাটল ধরা পাথরের কারণে উদ্ধার কাজ ঝুঁকিপূর্ণ। নদীর প্রবাহ স্বাভাবিকের থেকে ছয় থেকে সাত মিটার প্রতি সেকেন্ড দ্রুত, যার ফলে খনন যন্ত্র ও তাদের চালকরাও সমস্যায় পড়েছেন।
এই ভূমিকম্প হিমালয়ীয় অঞ্চলে পূর্বে থেকেই চলমান গ্লেসিয়ার দুর্যোগ এবং বন্যার ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ত্রাণ কাজ এখনও চলছে এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার করার চেষ্টা তীব্র হয়েছে।
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত






Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.