রাজনীতি 2 MIN READ

ভাগলপুরের 'ধরতি ধর' নাগরমল বাজোরিয়া এর মৃত্যু

ভাগলপুরের এমপি দ্বিবেদী মার্গ নিবাসী নাগরমল বাজোরিয়া, যাঁকে 'ধরতি ধর' নামে পরিচিত ছিল, ৩ সেপ্টেম্বর পাটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ২৮০ এর বেশি নির্বাচনে লড়াই করেছেন এবং গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের শক্তি উপলব্ধি করানোর জন্য পরিচিত ছিলেন।

এক নজরে

  • নাগরমল বাজোরিয়া, যিনি 'ধরতি ধর' নামে পরিচিত ছিলেন, ৩ সেপ্টেম্বর পাটনায় মারা যান।
  • তিনি ২৮০ এর বেশি নির্বাচনে লড়াই করেছেন এবং গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের শক্তি উপলব্ধি করানোতে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
  • নাগরমল লাহোরে জন্মগ্রহণ করে ভাগলপুরে বসবাস শুরু করেন এবং শহরের পানীয় জলের সংকট সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন।
  • ২০১৯ সালে তিনি শেষবারের মতো নির্বাচনে অংশ নেন এবং ৯৩ বছর বয়সে তিনটি লোকসভা আসনে নির্বাচন করেছেন।
  • তার অভিনব নির্বাচনী প্রতিবাদের মধ্যে একটি ছিল রাজনীতিবিদদের ছবি গাধার গলায় ঝুলিয়ে মনোনয়ন র‍্যালি করা।

अक्सर पूछे जाने वाले सवाल

নাগরমল বাজোরিয়া কখন এবং কোথায় মারা যান?
তিনি ৩ সেপ্টেম্বর পাটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
নাগরমল বাজোরিয়ার নির্বাচনী জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
তিনি ২৮০ এর বেশি নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন এবং নির্বাচনে জেতার চেয়ে গণতন্ত্রে অংশ নেওয়াকে বেশি গুরুত্ব দিতেন।
তার পেছনের সামাজিক অবদান কী কী ছিল?
পানীয় জলের সংকটের সময় ব্যক্তিগত খরচে নলকূপ স্থাপন করান এবং যুবকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছেন।
নাগরমল বাজোরিয়ার শেষকৃত্য কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
তার শেষকৃত্য বরারি ঘাটে সম্পন্ন হয়।
কেন তাকে 'ধরতি ধর' নামে ডাকা হত?
তিনি সাধারণ মানুষের শক্তি উপলব্ধি করানোর লক্ষ্যে কাজ করায় এবং পানীয় জলের সংকটে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তাকে এই নামে ডাকা হত।

AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें

ভাগলপুরের 'ধরতি ধর' নাগরমল বাজোরিয়া
ভাগলপুরের 'ধরতি ধর' নাগরমল বাজোরিয়া / নিহারিকা টাইমস

See more of our coverage in your search results.

Follow us on Google

 ভাগলপুরের এমপি দ্বিবেদী মার্গ নিবাসী নাগরমল বাজোরিয়া, যাঁকে 'ধরতি ধর' নামে পরিচিত ছিল, ৩ সেপ্টেম্বর পাটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ২৮০ এর বেশি নির্বাচনে লড়াই করেছেন এবং গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের শক্তি উপলব্ধি করানোর জন্য পরিচিত ছিলেন।

নির্বাচনী জীবন এবং সামাজিক অবদান

নাগরমল বাজোরিয়া তাঁর জীবদ্দশায় ২৮০ এর বেশি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে তিনটি মনোনয়ন প্রযুক্তিগত কারণে বাতিল হয়েছিল। তিনি ১৯৬৯ সালে তখনকার রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ভিভি গিরির বিরুদ্ধে মনোনয়ন করেছিলেন এবং ২০১৯ সালে তাঁর শেষ নির্বাচন লড়েছিলেন। তিনি নির্বাচনে জেতার চেয়ে গণতন্ত্রে অংশগ্রহণকে বেশি গুরুত্ব দিতেন।

ভাগলপুরের মারওয়াড়ি সমাজে ব্যবসায়িক ক্ষেত্র থেকে বেরিয়ে তিনি রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করেছিলেন এবং যুবকদের সামাজিক ও জনজীবনে এগিয়ে আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তাঁর নির্বাচনে লড়ার ধরনও অনন্য ছিল; তিনি মনোনয়ন র‍্যালিতে রাজনীতিবিদদের ছবিযুক্ত প্ল্যাকার্ড গাধার গলায় ঝুলিয়ে বের হতেন।

তাঁর সামাজিক উদ্বেগ শুধুমাত্র নির্বাচনে সীমাবদ্ধ ছিল না। যখন শহরে পানীয় জলের সংকট গভীর হয়েছিল, তখন তিনি ব্যক্তিগত খরচে অনেক পাবলিক স্থানে নলকূপ স্থাপন করিয়েছিলেন এবং পানীয় জলের সরবরাহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই কারণেই তাঁকে 'ধরতি ধর' বলা হত।

জন্ম, পরিবার এবং শেষকৃত্য

নাগরমল বাজোরিয়ার জন্ম ১৯৩০ সালে পাকিস্তানের লাহোরে হয়েছিল। দেশের বিভাজনের পর তিনি ভাগলপুরে এসে বসবাস শুরু করেন এবং এখানে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি তিন পুত্র—সতীশ কুমার, অজয় কুমার এবং দিলীপ কুমার সহ পরিবার ছেড়ে গেছেন।

গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর চিকিৎসা পাটনার পিএমসিএইচ-এ চলছিল, যেখানে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃতদেহ বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় পাটনা থেকে ভাগলপুরে আনা হয়। শুক্রবার সকাল ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে শেষ যাত্রা শুরু হবে এবং বরারি ঘাটে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে তাঁর মৃত্যুর খবর শোকের ঢেউ সৃষ্টি করেছে।

নির্বাচনী রেকর্ড এবং পরিচয়

নাগরমল বাজোরিয়া নগর নিকায় থেকে রাষ্ট্রপতি পদ পর্যন্ত নির্বাচন লড়েছেন। তিনি ৯৩ বছর বয়সে তিনটি লোকসভা আসনে নির্বাচন লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বয়সজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন, তবুও নির্বাচনী প্রচারের জন্য একটি মারুতি ভ্যান কিনেছিলেন।

তাঁর বিশ্বাস ছিল যে নির্বাচন জেতা প্রধান বিষয় নয়, বরং গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের শক্তি উপলব্ধি করানো মূল উদ্দেশ্য। এই কারণেই ভাগলপুরে তাঁকে 'ধরতি ধর' নামে ডাকা হত। তাঁর পরিবার দাবি করে যে তাঁর নাম লিমকা বুক অফ রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত।

রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়ী মহল তাঁর মৃত্যুর প্রতি শোক প্রকাশ করছে।

২০০৫ সালের কাছাকাছি এক নির্বাচনের সময় তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনন্য প্রতিবাদ করেছিলেন

আলোক কুমার আগরওয়াল, ব্যবসায়ী

বাজোরিয়া জি বিহারের পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্য এবং এমনকি প্রতিবেশী দেশ নেপাল পর্যন্ত অসংখ্য যুবক-যুবতীদের নিঃস্বার্থভাবে বৈবাহিক সম্পর্ক (সম্পর্ক) স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন

কুঞ্জ বিহারী ঝুনঝুনওয়ালা
Member Access

50 free articles left today

0 of 50 free reads used today.

Go Unlimited
📲 আমাদের ফলো করুন সর্বশেষ খবর সরাসরি আপনার ফোনে — তাৎক্ষণিক, বিনামূল্যে
Telegram Channel

সর্বাধিক পঠিত

সর্বাধিক পঠিত

01 ধর্ম / আধ্যাত্মিকতা ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ১৫ বছর পর অষ্টমী-রোহিণী নক্ষত্রের সংযোগ
Trust & Transparency

How this story was handled

PublishedSep 04, 2026, 19:41 IST IST
Last updatedSep 04, 2026, 22:14 IST IST
Story lifecyclePublish
Methodology

How to read this report

Coverage is filed under রাজনীতি and aligned with that desk's editorial standards.

Continuing Coverage

More on this story

Latest context and follow-up reading from রাজনীতি.

রাজনীতি

মোকামা বিধায়ক অনন্ত সিংহ এমএলসি নির্বাচনে অনুজ সিংহের সমর্থন করেছেন

রাজনীতি

সঞ্জয় কুমারের মাথায় আঘাত, দুই অভিযুক্ত হেফাজতে

আইন / আদালত

গোন্ডায় ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় লোক আদালতের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত

ভারত

মনীষ ব্রহ্মভট্ট তৈরি করলেন ককড়োচ জনতা পার্টি ডেমোক্র্যাটিক

আবহাওয়া

উত্তর ভারতে ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন প্রভাবিত, ১২ মৃত্যু

সঞ্জয় কুমারের মাথায় আঘাত, দুই অভিযুক্ত হেফাজতে
রাজনীতি
সম্পর্কিত খবর

সঞ্জয় কুমারের মাথায় আঘাত, দুই অভিযুক্ত হেফাজতে

নিউজ ডেস্ক Sep 04, 2026
উত্তর ভারতে ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন প্রভাবিত, ১২ মৃত্যু
আবহাওয়া
সম্পর্কিত খবর

উত্তর ভারতে ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন প্রভাবিত, ১২ মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক Sep 04, 2026
সরযূ নদীর জলস্তর মানঝীতে বিপদের সীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে
আবহাওয়া
সম্পর্কিত খবর

সরযূ নদীর জলস্তর মানঝীতে বিপদের সীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে

নিউজ ডেস্ক Sep 04, 2026

সর্বাধিক পঠিত

সর্বাধিক পঠিত

01 ধর্ম / আধ্যাত্মিকতা ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ১৫ বছর পর অষ্টমী-রোহিণী নক্ষত্রের সংযোগ

Comments

0 threads
Join the discussion
Staff comments are highlighted. Verified readers receive a trust badge.
Sign in to comment

No approved comments yet. Start the discussion.