নেপালে বন্যায় ১৩৪৪ জনের মৃত্যু, ত্রাণ কাজ চলছে
নেপালে ২৬ আগস্ট থেকে বন্যায় উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের অনেক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পুলিশ তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ১৩৪৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ভারত ১১ সদস্যের একটি প্রযুক্তিগত দল পাঠিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে সহায়তা করছে। বন্যার কারণে টেক্সটাইল, পর্যটন, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ৪২০০ জন নিখোঁজ রয়েছে।
AI-generated · Verify with full article
২৬ আগস্ট নেপালে হঠাৎ বন্যা উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের অনেক শহর ও গ্রামকে গ্রাস করেছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৩৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারত ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সাহায্যের জন্য ১১ সদস্যের প্রযুক্তিগত দল পাঠিয়েছে।
বন্যার ধ্বংস এবং উদ্ধার কাজ
নেপালে বন্যা ও ভূমিধস হাজার হাজার বাড়ি, দোকান এবং কৃষি জমি ধ্বংস করেছে। অনেক এলাকায় ময়লা ও কাদার মধ্যে এখনও মানুষ খোঁজা চলছে। ত্রাণ ও উদ্ধার দল ময়লার নিচে চাপা পড়া মানুষকে খুঁজে বের করতে ব্যস্ত, যারা এখনও নিরাপদ নয়।
ভারতের ১১ সদস্যের জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনীর প্রযুক্তিগত দল রাসুয়া জেলার চিলিমে হাইড্রোপাওয়ার প্ল্যান্টে নিয়োজিত। এই দল স্থানীয় উদ্ধার দলের সঙ্গে মিলিত হয়ে দড়ির মাধ্যমে উদ্ধার এবং কাদাময় সুরঙ্গের ভিতরে মানুষ খুঁজছে।
নেপালে বন্যার শুরু হয়েছিল নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে ভূমিধসের পরে। বন্যার পানি অনেক এলাকা থেকে নামতে শুরু করেছে, কিন্তু ধ্বংসের চিহ্ন এখনও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। প্রভাবিত পরিবারের জন্য নিরাপদ আশ্রয় এবং জীবিকা সমস্যা রয়ে গেছে।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব
বন্যা নেপালের পর্যটন খাতকে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। পর্যটন ব্যবসায় ৫০ বিলিয়ন নেপালি রুপির বেশি ক্ষতি হয়েছে। ১৪২টি হোটেল, ৫৭টি রেস্টুরেন্ট এবং ১৪১টি যানবাহন প্রভাবিত হয়েছে। অনেক প্রধান ট্রেকিং রুটও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় বাজার ও ছোট ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল পরিবারের জীবিকা বন্যায় প্রভাবিত হয়েছে। ময়লার কারণে দোকান ও বাড়ি চাপা পড়ে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষেতের মধ্যে ময়লা জমে কৃষিকাজও প্রভাবিত হয়েছে এবং পরবর্তী ফসলের প্রস্তুতি কঠিন হয়ে পড়েছে।
সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষতির কারণে প্রভাবিত এলাকায় পণ্য পৌঁছানো ব্যয়বহুল ও কঠিন হয়ে গেছে।
নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজ এবং মৃতদেহের পরিচয়
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ১২৫২টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৯৫টির পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রায় ৪২১৬ জন এখনও নিখোঁজ, যার মধ্যে অনেক বিদেশী নাগরিক রয়েছেন।
কাঠমান্ডুতে পরিবারগুলি নিখোঁজ ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে তাদের সন্ধান করছে। উদ্ধার মৃতদেহের পরিচয়ের জন্য ডিএনএ নমুনাও নেওয়া হচ্ছে।
হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কাজ করা অনেক শ্রমিকও নিখোঁজ বলে জানা গেছে। ৪ সেপ্টেম্বর একটি হাইড্রোপাওয়ার সুরঙ্গ থেকে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করার ফলে ত্রাণ কাজে আশা জেগেছে।
এই দল স্থানীয় উদ্ধার দলের সঙ্গে মিলিত হয়ে সেই জায়গাগুলোতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে, যেখানে মানুষের চাপা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী কর্মকর্তা, প্রযুক্তিগত দলের সদস্য
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে কেমন কাজ চলছে?
- কাঠমান্ডুতে পরিবারগুলি ছবি ও তথ্যের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান করছে এবং ডিএনএ নমুনাও নেওয়া হচ্ছে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত




Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.