নেপালে বন্যায় ১২৫৯ মৃত্যু, ভারত ডিএনএ থেকে পরিচয় নির্ধারণের প্রস্তুতি শুরু করেছে
এক নজরে
- নেপালে ২৬ আগস্ট বরফ ও পাথরের সরে পড়ার কারণে বন্যায় ১২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
- ভারত সরকার নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরিচয় নির্ধারণের ব্যবস্থা করছে।
- বন্যা ভোটেকোশি ও ত্রিশুলি নদীর আশেপাশের এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
- আর্থিক ক্ষতির প্রাথমিক অনুমান প্রায় ৩৮৭.৫ বিলিয়ন নেপালি রুপি, যার মধ্যে বাড়ি এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি রয়েছে।
- ভারতের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে C-130J বিমানযোগে ২১.৫ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।
अक्सर पूछे जाने वाले सवाल
- নেপালের বন্যায় কতজনের মৃত্যু হয়েছে?
- বন্যায় এখন পর্যন্ত ১২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
- ভারত কীভাবে নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয় নির্ধারণ করবে?
- ভারত নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে প্রোফাইল তৈরি করে এই নমুনা নেপালের অজ্ঞাত মৃতদেহের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নির্ধারণ করবে।
- বন্যায় নেপালে কোথায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
- বন্যা ভোটেকোশি ও ত্রিশুলি নদীর আশেপাশের এলাকা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে।
- ভারত কী ধরনের সাহায্য পাঠিয়েছে?
- ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি C-130J বিমান ২১.৫ টন চিকিৎসা সরবরাহ ও ফরেনসিক কিটসহ ত্রাণ সামগ্রী কাঠমাণ্ডু পাঠিয়েছে।
- বন্যায় নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অবস্থা কী?
- বন্যায় ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ৯০০ জন নিখোঁজ রয়েছে।
AI-निर्मित · पूरी ख़बर से पुष्टि करें
নেপালে ২৬ আগস্ট হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের সরে পড়ার কারণে বন্যায় এখন পর্যন্ত ১২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। ভারত সরকার নিখোঁজ ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয়ের জন্য তাদের পরিবারের কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা নিয়ে প্রোফাইল তৈরি করার ব্যবস্থা করেছে।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর মতে, বন্যা ভোটেকোশি এবং ত্রিশুলি নদীর আশেপাশের এলাকাগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে। প্রবল ঢেউগুলো বসতি, সড়ক, সেতু এবং বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোকে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। অনেক স্থানে পুরো এলাকা মলবায় পরিণত হয়েছে এবং মানুষ নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট সময় পায়নি।
আর্থিক ক্ষতির প্রাথমিক অনুমান প্রায় ৩৮৭.৫ বিলিয়ন নেপালি রুপি অর্থাৎ প্রায় ২.৫৬ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে বাড়ি, সড়ক, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য মৌলিক সুবিধার ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত। দুর্যোগের কারণে প্রায় ২০ হাজার বাড়ি পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন, যার মধ্যে ৭,৫০০ বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।
নেপালে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত মৃতদেহের পরিচয় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ অনেক মৃতদেহ দীর্ঘ সময় পানি ও মলবায় থাকার কারণে খারাপ অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে শুধুমাত্র মানব অবশিষ্টাংশ পাওয়ায় পরিচয় নির্ধারণ কঠিন হচ্ছে। প্রশাসন মৃতদেহের ছবি, পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য, ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করছে যাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৃতদের পরিচয় নির্ধারণ করা যায়।
ভারত সরকার এই প্রক্রিয়ায় নেপালের সাহায্যের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, ভারতে থাকা নিখোঁজ ব্যক্তিদের প্রথম শ্রেণীর জৈবিক আত্মীয় যেমন পিতা-মাতা, ভাই-বোন এবং ছেলে-মেয়ে থেকে ডিএনএ নমুনা নিয়ে প্রোফাইল তৈরি করা হবে। এর জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের ফরেনসিক ল্যাব, জাতীয় ফরেনসিক বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনএবিএল-স্বীকৃত ল্যাবের সাহায্য নেওয়া হবে।
এই ডিএনএ প্রোফাইলগুলো নেপালে পাওয়া অজ্ঞাত মৃতদেহ ও মানব অবশিষ্টাংশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এর ফলে কোনো অজ্ঞাত মৃতদেহের ডিএনএ যদি কোনো নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে মেলে তবে পরিচয় নির্ধারণে সাহায্য হবে।
ভারত নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের জন্যও সহায়তা চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি C-130J বিমান ২১.৫ টন ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে কাঠমাণ্ডু পৌঁছেছে, যার মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা সরবরাহ এবং ফরেনসিক কিট।
নেপালের অনেক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছয়টি প্রভাবিত হাইড্রোপাওয়ার সাইট থেকে প্রায় ৯০০ জন নিখোঁজ বলে জানা গেছে। উদ্ধার দল সুড়ঙ্গগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু অনেক সুড়ঙ্গের প্রবেশদ্বার মলবা ও পাথর দিয়ে বন্ধ রয়েছে।
এসডিপিও সানি বর্ধন বলেছেন, "তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সদর থানা পুলিশ দুই মৃতদেহ জব্দ করে পোস্টমর্টেমের জন্য চতরা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।"
50 free articles left today
0 of 50 free reads used today.
সর্বাধিক পঠিত






Comments
0 threadsNo approved comments yet. Start the discussion.